1. admin@ritekrishi.com : ritekrishi :
  2. ritekrishi@gmail.com : ritekrishi01 :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতকালীন সবজি চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের
বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতকালীন সবজি চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৩ পড়া হয়েছে

শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কৃষকরা। ভালো দাম পাওয়ায় সবজি চাষে আগ্রহ বেড়েছে তাদের। মাঠে-মাঠে শোভা পাচ্ছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, লাউসহ হরেক রকমের শীত কালীন সবজি।
জেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, জেলায় শীতকালীন সবজির উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪০টন।
জানা যায়, চলতি রবি মৌসুমে জেলায় শীতকালীন শাক-সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৮৬৩ হেক্টর জমিতে। এই পর্যন্ত আবাদ হয়েছে ৯শ ৭৫ হেক্টর জমিতে। ১৫ অক্টোবর থেকে আগামি বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত শীতকালীন সবজির ভরা মৌসুম। শীত মৌসুমকে সামনে রেখে জেলার বিস্তীর্ণ কৃষি জমিতে লাউ, টমেটো, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাল শাক, পালংশাক, সিম, উচ্ছে করলাসহ নানা জাতের শাকসবজি আবাদে এখন ব্যস্ত সময় পার করছে জেলার কৃষকরা।
কৃষি বিভাগের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলায় ৭২২ হেক্টর জমিতে টমেটো, ৬৬৫ হেক্টর জমিতে মূলা, ৬২৫ হেক্টর জমিতে ফুলকপি, ৩৮৫ হেক্টর জমিতে বাঁধাকপি, ৬৮০ হেক্টর জমিতে লাউ, ১৯৬ হেক্টর জমিতে পালং শাক ছাড়াও বিভিন্ন সবজির আবাদ হচ্ছে।

কৃষকরা জানিয়েছেন, জেলায় রাজা (হাইব্রিড), কনক রাজা ছাড়াও স্থানীয় জাতের টমেটো, মাউন্টেন, হোয়াইট গোল্ড, সিরাজী জাতের ফুলকপি, অম কুইন, অগ্রদ্রুত জাতের বাঁধাকপি, বারী লাউ-১, ডায়না জাতের লাউ, টিয়া ও স্থানীয় জাতের করলার ব্যাপক আবাদ হয়েছে। মাঠের অবস্থা ভাল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে উৎপদিত সবজি বিক্রি করে আশানুরূপ লাভ করতে পারবেন।

জেলার সদর উপজেলার কৃষক নাজু মিয়া জানান শীতে সবজির ব্যাপক চাহিদা। তাই স্থানীয় কৃষি সহায়তায় এবার শীতের সবজি চাষ করেছি। জেলার নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও নয়াহাটি গ্রামের কৃষক কাশেম মিয়া জানান এবার আবহাওয়া খুবই ভাল। ফলে ভাল সবজি উৎপাদন করতে পারব।

এই ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক সুশান্ত সাহা জানান, জেলা জুড়ে বিভিন্ন কৃষি জমিতে শীতকালীন সবজি আবাদ করা হয়েছে। এতে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সর্বত্মক সহযোগিতা ও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তবে বাজার এখন কিছুটা দাম হলেও ভরা মওসুমে সবজির দাম ক্রেতাদের নাগালে চলে আসবে বলে মনে করেন।

উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে সবজির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কৃষক লাভবান হবে এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।
সূত্রঃ বাসস

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Error Problem Solved and footer edited { Trust Soft BD }
More News Of This Category
Web Design By Best Web BD