মাটির সংজ্ঞাঃ মৃৎবিজ্ঞানীগণ মাটির নানারূপ সংজ্ঞা দিয়েছেন, যেমনঃ (১) ভূ-পৃষ্ঠের নরম আবরনের নাম মৃত্তিকা (২) উদ্ভিদ জন্মানোর উপযোগী খনিজ, জীব ও জৈব সমন্বয়ে গতিশীল প্রাকৃতিক বস্তুকে মৃত্তিকা বলে (৩) সময়ের
প্রতিদিন দুড়মুড় করে বদলে যাচ্ছে দৃশ্যপট। বিশ্বব্যাপী খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম বাড়ছে। কিন্তু মানুষ হিসেবে আমরা কিছুই মনে রাখছি না। এত কঠোর এক মহামারিকাল পাড়ি দিয়েও আমাদের কোনো শিক্ষা
খামারের গাভি অনেক সময় দুগ্ধ জ্বর বা দুধ জ্বরে আক্রান্ত হয়। এতে খামারিরা বেশ ক্ষতির মুখে পড়েন। আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হন। এ সময়ে তা বুঝে উঠতে পারেন না তারা কী
মাটি একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এ দেশের অধিকাংশ মানুষের জীবিকা হচ্ছে কৃষি যা এ মৃত্তিকা সম্পদের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু দেশের মৃত্তিকা আজ হুমকির সম্মুখীন। অধিক মাত্রায় রাসায়নিক সার ব্যবহারই
তরুণ উদ্যোক্তা শফিক মন্ডল শরিফা চাষে আশাতীত সফলতা পেয়েছেন। ৫ বিঘা জমিতে চলতি মৌসুমে ১০ লাখ টাকারও বেশি শরিফা বিক্রি করেছেন। ঝিনাইদহ জেলায় এটাই বাণিজ্যিকভাবে সবচেয়ে বড় শরিফা ফলের বাগান।
বাড়ির ফটকে নাম লেখা ‘মায়ারানী বাউল’। তবে তিনি গান করেন না। কৃষিকাজ করেন। গরু পোষেন। যেনতেন প্রকারে নয়, একটি বাছুর থেকে এখন তাঁর খামারে গরুর সংখ্যা অর্ধশতাধিক। আবাদ করছেন ৩০
মাস্টার্স শেষ করে শিক্ষা জীবনের ইতি টানেন তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা জাহেদ। চাকরির পেছনে না ছুটে কৃষিকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। পড়াশোনা করার সময় থেকে নিজেকে কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে মেলে ধরেন
ড্রাগন ফল চাষ করে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পুরাতন হাসপাতাল পাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী হাজি দবির উদ্দিনের পুত্র খোরশেদ আলম। ইউটিউবে ড্রাগন চাষিদের সফলতার গল্প দেখে এ ফল চাষে
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা থেকে ঘাঘড়া সড়ক দিয়ে গেলেই চোখে পড়বে পাহাড়ের বিভিন্ন প্রান্তে উৎপাদিত বিলেতি ধনেপাতা সারি সারি করে সাজানো হচ্ছে। এই ধনেপাতা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত করছেন
মিরসরাই পৌরসভার কৃষক মো. হারুন অর রশিদ প্রায় ২২ বছর ধরে কচু চাষ করছেন। তার কৃষিজমি নিচু হওয়ায় অন্যান্য সবজির চাষ ভালো না হওয়ায় তিনি দীর্ঘ দিন ধরে কচু চাষ