কম খরচ, কম পরিশ্রমে বেশি ফলন এবং বাজারে ভালো দামের কারণে নরসিংদীর চরাঞ্চলে দিন দিন বাড়ছে বাদাম চাষ। এতে কৃষকদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে নতুন আগ্রহ ও সম্ভাবনা। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বাদামের
‘আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও, রহিমদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও। বাড়ি তো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি, একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি।’ পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের কালজয়ী কবিতার
দিনাজপুরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষক ও কৃষি অধিদপ্তর। এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ হেক্টর বেশি জমিতে সূর্যমুখী চাষ হয়েছে। উৎপাদন
বাণিজ্যিকভাবে স্ট্রবেরি চাষ করে ভাগ্য বদলাচ্ছেন জয়পুরহাটের কৃষকরা। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় প্রচলিত অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি এই সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে তাদের। স্থানীয় চাহিদা
কয়েক বছর ধরে মৌলভীবাজারের অনেকে আগ্রহ নিয়ে সূর্যমুখী চাষ করছেন। কেউ আবার সূর্যমুখী চাষে স্বাবলম্বী হয়েছেন। বিশেষ করে সরকারিভাবে সূর্যমুখী বীজ বিতরণের পর থেকেই আস্তে আস্তে চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কম
স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের খাদ্যাভ্যাসে আসছে বড় পরিবর্তন। ডায়াবেটিস ও স্থূলতার ঝুঁকি এড়াতে মানুষ এখন চিনির প্রাকৃতিক ও নিরাপদ বিকল্প খুঁজছেন। এই চাহিদাকে কেন্দ্র করে লালমনিরহাটে শুরু হয়েছে
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা লিচুর রাজ্য হিসেবে পরিচিত। এ উপজেলার পথেঘাটে এখন মুকুলের সুবাস। বাগানের গাছগুলোতে থোকায় থোকায় মুকুল ভরে গেছে। লিচুর সোনালি মুকুল বসন্তের হাওয়ায় দোলা দিচ্ছে। লিচুর বাম্পার ফলনের
শরীয়তপুরে মসলা জাতীয় ফসল ধনিয়া চাষের সুনাম দীর্ঘদিনের। কয়েক বছর ধরে বাজারে ধনিয়ার কদর থাকায় জেলাজুড়ে বাড়ছে আবাদ। উৎপাদন খরচ কম আর দাম ভালো পাওয়ায় ছাড়াচ্ছে লক্ষ্যমাত্রাও। ভালো লাভের আশায়
নড়াইল পৌরসভার ভাদুলীডাঙা এলাকায় পরিবারের পুষ্টি চাহিদা মেটাতে মো. পল্লব গড়ে তুলেছেন বিষমুক্ত ফল ও শাক-সবজির বাগান। বাড়ির আঙিনায় ২০ শতাংশ জমিতে তিনি তৈরি করেছেন এ বাগান। এখানে আছে নানান
নড়াইল জেলার সবখানেই এখন আম গাছগুলোতে মুকুল আসতে শুরু করেছে। হলুদ রঙের মুকুলে ছেয়ে গেছে ডালপালা। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে মনকাড়া ঘ্রাণ। এ যেন হলুদ আর সবুজের মহামিলন। সরেজমিনে জানা যায়,