দেশে ধানের অন্যতম বড় মোকাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের মেঘনাপাড়ের বিওসি ঘাট। বৈশাখ মাসের শুরু থেকে মোকামে ধান আসতে শুরু করে। ধান কাটার মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যস্ত হয়ে ওঠে এই
গোপালগঞ্জে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। জেলার কৃষকরা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ১ হাজার ৮৬৯ মেট্রিক টন খাদ্য (চালের হিসাবে) বেশি ফলিয়েছেন। এ জেলায় ইতিমধ্যে ৫ উপজেলার ৯৯ ভাগ জমির ধান কাটা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও পুষ্টি সমৃদ্ধ ব্রি-১০২ জাতের নতুন ধান খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষিতে বিপ্লব ঘটাবে। এরই মধ্যে গোপালগঞ্জে ধানটির পরীক্ষামূলক চাষে মিলেছে সাফল্য। প্রতি
গোপালগঞ্জ জেলার ৫ উপজেলার ৬ টি খাদ্য গুদামে ১৯ হাজার ৪৪৮ মেট্রিক টন ধান, চাল ও গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে খাদ্য অধিদপ্তর। এরমধ্যে ধান ৪ হাজার ৭৮৮ মেট্রিক টন,
জেলার সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের এক তরুণ উদ্যোক্তা পরীক্ষামূলক ভাবে সাম্মাম ফল চাষে সফল হয়ে এবার বাণিজ্যিক ভাবে সাম্মাম চাষে আগ্রহী হয়েছেন। মরুভুমি বা আরব দেশের ফল হিসেবে খ্যাত সাম্মাম বা
জেলার সদর উপজেলায় আজ ছয়জন অসহায় কৃষকের আটবিঘা জমির ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছে জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মিরা। আজ সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সদর উপজেলার পলাশবাড়ি, কচুকাটা, রামনগর ও চড়াইখোলা
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় মোখা ইতিমধ্যে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, দেশে ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাব কক্সবাজারের উপকূল এলাকায় সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে। এ অবস্থায় ফসলের মাঠে থাকা আধা পাকা
সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় বোরো ধানের ফলন খুব ভালো হয়েছে। এবার বৃষ্টি বা পাহাড়ি ঢলে ফসলের ক্ষতি হয়নি। সূর্য পশ্চিমাকাশে হেলে পড়েছে। দুপুরের তপ্ত রোদ নেই। ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত নারী,
মুগডাল ফলন বাড়াতে এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে ফসলের মাঠে কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে কৃষকদের জৈব বালাইনাশক ব্যবহারে আগ্রহী করতে কাজ করছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ব বিভাগ। সম্প্রতি মুগডালের একাধিক ক্ষতিকর পোকার
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া উপজেলার নিন্ম অঞ্চলের ২০০ একর জমিতে সমলয় পদ্ধতিতে ধান চাষ করে কৃষকরা লাভবান হয়েছেন।বছরের অধিকাংশ সময় এসব জমি পানির নিচে থাকত। সারা বছরই কচুরিপানা, জলজ জঞ্জালে জলাবদ্ধ অনাবাদি