আগস্ট মাসের স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় কৃষিখাতে বিপর্যয় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন ফেনীর কৃষকেরা। নিত্য নতুন ফসল চাষের পাশাপাশি ফেনীতে গত মৌসুমের তুলনায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে সরিষা চাষ করেছেন
মানিকগঞ্জের মাঠজুড়ে এখন সরিষা ফুলের হলুদ সমারোহ। সরিষা ফুলে ঘুরে ঘুরে মধু সংগ্রহ করছে মৌমাছির ঝাঁক। সংগৃহীত মধু নিয়ে জমা করছে পাশে স্থাপিত মৌ-বাক্সে। এতে সরিষা ফুলের পরাগায়নে সহায়তা হচ্ছে।
লাল, সাদা আর বাহারি রঙের পালকে ঢাকা মুরগিগুলোর শরীর। দেখলে মনে হবে, এ যেন চিত্রশিল্পীর আল্পনা আঁকা। কোনোটার মাথা দেখতে সিংহের কেশরের মতো, কোনটাবা সাদা কদম ফুল। এমন বিদেশি নানা
বান্দরবানে বলসুন্দরী বরই চাষে ভাগ্য ফিরেছে দীপ্তিময় তঞ্চঙ্গ্যার। এ বছর ২২ লাখ টাকার বরই বিক্রির আশা করছেন তিনি। গত বছর ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ৬ লাখ টাকার বরই বিক্রি
খেতে ফলন এসেছে বেগুনের। নিজের খেত থেকে বেগুন তুলছিলেন কৃষক আবু জাফর। কয়েকটি বেগুনেই ভরে যাচ্ছিল একটি ঝুড়ি। কারণ, একেকটি বেগুনের ওজন ৮০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি। বেগুনের আকার এত
শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন গাইবান্ধার কৃষকেরা। চলতি বছরের অতিবৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা এখন ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শীতকালীন সবজি চাষে ঝুঁকছেন। কিছুদিনের মধ্যে তাদের উৎপাদিত সবজি নামবে
ধানের মাঠ সবুজ হয়ে আছে। বিস্তীর্ণ খেতে উপচে পড়ছে চকচক করা বিকেলের রোদ। খেতের পাশে এখানে-ওখানে মাচায় ঝুলছে লাউয়ের ঝাড়, ছোট-বড় লাউ। বাঁশ ও নীল রঙের প্লাস্টিকের জালে বেড়া দেওয়া
শীতের মৌসুম পুরোদমে শুরু হয়নি এখনো। তারপরও আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্য খেজুরের রস আহরণে গাছ প্রস্তুত করছেন শিউলিরা (গাছি)। চুয়াডাঙ্গা জেলায় শীতের আগমন উপলক্ষে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহের জন্য প্রস্তুতি
পাহাড়ি ভূমিতে যতদূর চোখ যায় ফুটে আছে রূপবান শিমের ফুল। কোথাও থোকা থোকা ঝুলছে বেগুনি রঙের শিম। আবার কোথাও থোকা থেকে সদ্য ছিঁড়ে নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের কেউ কেউ বাজারে বিক্রির
কুড়িগ্রামে এ বছর বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগাম শীতকালীন সবজী শসা চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। কম খরচে লাভ বেশি থাকায় শসা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের। এ মৌসুমে আবহাওয়া