বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয় গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট ও নড়াইল জেলার ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে। গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয় ২০১৮ সাল থেকে এ ৩ জেলায় ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চ
জেলায় বর্ষা মৌসুমে বাড়ির আঙ্গিনায় ও পতিত জমিতে বস্তায় আদা চাষ করে সফলতার স্বপ্ন দেখছে অনেকে। বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেলার বানারীপাড়া, উজিরপুর ও আগৈলঝাড়াসহ বিভিন্ন উপজেলায়
চার দিক পানি থৈথৈ করছে। এখানে কোন ফসল ফলত না।সারা বছর জলাবদ্ধ, আনাবাদি ও পতিত পড়ে থাকত এ বিল। জলাবদ্ধ জমিতে এ বছর নতুন উদ্ভাবিত ডালি পদ্ধতিতে সবজি চাষ করা
জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলায় ধানের জমিতে শসার আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ায় ফলনও হয়েছে ভালো। এতে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। শসার উৎপাদন সাধারণত গরমের সময় বেশি হয়ে থাকে। বেশ কয়েক জাতের শসা
জেলার বুড়িচং উপজেলার কৃষক পর্যায়ে জৈব বালাইনাশক তৈরি ও তা ব্যবহার করে নিরাপদ সবজি উৎপাদনের উদ্যোগ গ্রহণ করে উপজেলা কৃষি অফিস। কৃষকদের হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। দীর্ঘ ৮
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার এক অনুকরণীয় আদর্শ বাণিজ্যিক কৃষক এখন মো. আয়ুব আলী শেখ (৫৫)। তিনি খোরপোষের কৃষিকে বাণিজ্যিক কৃষিতে পরিণত করেছেন। প্রথমে মাত্র ৪০ শতাংশ জমি থেকে তিনি বছরে ৬
অসময়ের বেগুনের চাষ করে ভালো দাম পেয়ে লাভবান হয়েছেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চারগোবরা গ্রামের কৃষক মোঃ সিরাজ শেখ (৫২)। তিনি প্রতিকেজি বেগুন ৬০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। সপ্তাহে ২ দিন
জেলার খানসামা উপজেলায় সড়কের পাশে বাণিজ্যিকভাবে পেঁপে চাষ করে এলাকায় চমক সৃষ্টি করেছেন কৃষক আলতাফ হোসেন। তিনি উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের সড়কের পাশে আধা কিলোমিটার এলাকায় ৪০০ পেঁপে গাছ সৃজন করেছেন।
খাদ্য উৎপাদনে উদ্বৃত্ত জেলা জয়পুরহাটে চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র বাসস’কে জানায়, জেলায় এবার রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মাঠ
জেলার কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। একদিকে আউশ ধান কেটে ঘরে তোলা অন্যদিকে আমন ধান চাষের জন্য জমি প্রস্তুত, বীজতলা থেকে চারা তোলা ও রোপণ করা। সময়ের কাজ যথা