জেলার তিতাস উপজেলার দিগন্তজুড়ে সরিষা ফুলের চোখজুড়ানো দৃশ্য। মাঠের পর মাঠ হলুদে একাকার। ভাল ফলনের আভাস দেখে নতুন আশায় বুক বেঁধেছেন উপজেলার সরিষা চাষিরা। তিতাস উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা
জয়পুরহাটে হলুদ রঙে ভরে উঠছে সরিষার ক্ষেত। নিবিড় ফসল উৎপাদন কর্মসূচির আওতায় ২০২৩-২০২৪ মৌসুমে ২১ হাজার ৩৪৯ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। পাঁচ উপজেলা নিয়ে গঠিত জয়পুরহাট
কৃষি যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি লক্ষ্যে শরীয়তপুর সদরের কৃষকের মধ্যে ৫০ শতাংশ ভর্তুকি মূল্যে ৩২ লাখ টাকা দামের কমবাইন্ড হারভেস্টার মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের
সারাবছর পানি জমে থাকায় বসত-বাড়ি ও সড়কের পাশের নিচু জমিতে তেমন কোনো ফসল হয় না। এসব পানি জমে থাকা জমিগুলোই কাজে লাগিয়েছেন জয়পুরহাটের কয়েকটি গ্রামের কৃষক। নিজ মেধা ও উদ্যোগে
জেলার কাহারোল উপজেলার পল্লীতে কমলা চাষে সফলতা অর্জন করেছেন প্রভাষক সেলিম রেজা। এক একর জমিতে চায়না ও পাকিস্তানি জাতের কমলা চাষ করে প্রথম বছরেই তিনি আয় করেছেন আড়াই লাখ টাকা।
জেলার মধুপুর গড় অঞ্চলের মাটি লালচে। জেলার উচু এলাকায় কাঁকড়-কণাযুক্ত আর একটু নিচু এলাকায় বেলে দোআঁশ মাটি। এ এলাকায় যুগ-যুগ ধরে মাসকালই চাষ হচ্ছে। মধুপুর, মুক্তাগাছার কিছু অংশ, ঘাটাইল, ধনবাড়ি,
জেলার মধুপুর গড় অঞ্চলের মাটি লালচে। জেলার উচু এলাকায় কাঁকড়-কণাযুক্ত আর একটু নিচু এলাকায় বেলে দোআঁশ মাটি। এ এলাকায় যুগ-যুগ ধরে মাসকালই চাষ হচ্ছে। মধুপুর, মুক্তাগাছার কিছু অংশ, ঘাটাইল, ধনবাড়ি,
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানে গোপালগঞ্জে ১ বছরে অনাবাদি জমিতে চাষাবাদ বেড়েছে ১৭৯ হেক্টরে। গোপালগঞ্জে চাষযোগ্য অনাবাদি জমির পরিমান ৩ হাজার ৬শ’৯৭ হেক্টর। এরমধ্যে ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে জেলার ৫ উপজেলায় ১
কয়েক বছর আগেও ড্রাগন ফল সম্পর্কে মানুষের খুব একটা ধারণা ছিল না। বিদেশী ফল হিসেবেই এটি বেশি পরিচিত ছিলো।জেলায় বড় ফলের দোকানগুলোতে মাঝে মধ্যে দেখা যেত এ ফলটি। দামও ছিল
গোপালগঞ্জে আমান মৌসুমের চাষ উপযোগী রোপা আমন ধানের জাত মুল্যায়নে ৩৫ টি জাতের ধান নিয়ে ক্রপ ক্যাফেটেরিয়া স্থাপন করা হয়েছে। এ ক্রপ ক্যাফেটেরিয়া থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে কৃষক তার জমির জন্য