1. info@ritekrishi.com : ritekrishi01 :
  2. admin@ritekrishi.com : ritekrishi :
  3. ritekrishi@gmail.com : ritekrishi01 :
  4. wp_service_3b9199@service.localhost : wp_service_3b9199 :
  5. yun_11@wp2shell.invalid : yun_11 :
ঝিনাইদহে মাঠজুড়ে হলুদ ঢেউ, ভালো ফলনের আশা
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন

ঝিনাইদহে মাঠজুড়ে হলুদ ঢেউ, ভালো ফলনের আশা

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৮৫ পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহে চলতি মৌসুমে প্রায় ১৩ হাজার ২৯৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। সরিষার ফলনেও খুশি কৃষকেরা। অন্য ফসলের তুলনায় সরিষা চাষে খরচ কম হওয়ায় ভালো লাভের আশায় দিন গুনছেন চাষিরা। জেলার বিভিন্ন ফসলের বিস্তীর্ণ মাঠে এখন শোভা পাচ্ছে সোনা রঙের সরিষা ফুল। হলুদ রঙে ছেয়ে গেছে মাঠের পর মাঠ। যেদিকে চোখ যায়, যেন হলুদ রঙের ছড়াছড়ি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি মৌসুমে জেলার মোট ১৩ হাজার ২৯৫ হেক্টর জমিতে কৃষক সরিষা চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় জেলার অধিকাংশ মাঠেই সরিষার আশানুরূপ ফলন হয়েছে। স্বল্পমেয়াদী আবাদি ফসল হওয়ায় সরিষার আবাদ জেলায় বেড়েছে। যা জেলার ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে ভূমিকা রাখবে বলেও জানায় কৃষি বিভাগ।
সদর উপজেলার মিয়াকুন্ডু গ্রামের সরিষা চাষি আলামিন হোসেন বলেন, ‘এই ফসল আবাদে খরচ খুবই কম। বোরো ধান কাটার পরে প্রায় তিন মাস জমি ফাঁকা পড়ে থাকে। এই সময়টুকুতে আমরা সরিষার আবাদ করেছি। প্রায় ২ বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ করেছি। বিঘাপ্রতি ১০-১২ হাজার টাকা লাভ হবে এবার।’

কৃষক বসির উদ্দিন বলেন, ‘সরিষার আবাদ করলে জমির উর্বরতা প্রাকৃতিকভাবে বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া আমাদের একটা বাড়তি আয় হয়। স্থানীয় বাজারে সরিষার তেলের ব্যাপক চাহিদা। যে কারণে সরিষার চাষ দিন দিন বাড়ছে।’
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, চলতি মৌসুমে জেলার সদর উপজেলায় প্রায় ৩ হাজার ৯২০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সে অনুযায়ী সদর উপজেলার প্রায় ৩ হাজার ৮৯৬ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে।

এ ছাড়া কালীগঞ্জ উপজেলায় ১,৯৮১ হেক্টর, শৈলকুপায় ২,৯২০ হেক্টর, হরিণাকুন্ডু উপজেলায় ৩,৩৮০ হেক্টর, কোটচাঁদুপরে ৫০০ হেক্টর ও মহেশপুর উপজেলায় ৫৯৪ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। যা মোট লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করেছে বলে জানিয়েছে জেলা কৃষি বিভাগ।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘ঝিনাইদহে চলতি মৌসুমে ব্যাপক সরিষার আবাদ হয়েছে। জমি ফেলে না রেখে কৃষকেরা সরিষার আবাদ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। তারা এবার আশানুরূপ লাভ পাবেন। এ ছাড়া জেলায় উৎপাদিত সরিষা থেকে উৎপন্ন তেল স্থানীয় ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণেও ভূমিকা রাখবে।’
তিনি বলেন, ‘সরিষার আবাদ বৃদ্ধি করতে আমরা কৃষকদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ দিয়েছি। এ ছাড়া কৃষকের মাঝে বিনা মূল্যে সার-বীজ বিতরণসহ উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি করা হয়েছে। আশা করি, জেলায় আগামী মৌসুমে সরিষার আবাদ আরও বৃদ্ধি পাবে।’

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ

Error Problem Solved and footer edited { Trust Soft BD }
এ বিভাগের আরো খবর..
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - রাইট কৃষি-২০২১-২০২৪
Web Design By Best Web BD