1. admin@ritekrishi.com : ritekrishi :
  2. ritekrishi@gmail.com : ritekrishi01 :
টবে ফুল গাছ রোপণের নিয়ম
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন

টবে ফুল গাছ রোপণের নিয়ম

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫ পড়া হয়েছে

চারদিকে ফুলের খুব কদর এখন। বিভিন্ন দিবস এবং উৎসবে অনেক ফুল দরকার হয়। তাই ভবনের ছাদ, আঙিনা, বারান্দা বা সিঁড়িঘরেই রোপণ করা যায় ফুল গাছ। আপনার জায়গা অনুযায়ী কিছু ফুল গাছ লাগানো যেতেই পারে। তবে জেনে রাখা জরুরি, সব ফুলের গাছ কিন্তু টবে খুব ভালো হয় না।

জেনে নিন টবে চাষের উপযোগী ফুল গাছ কোনগুলো:
টবে ফুল গাছ
বিভিন্ন মৌসুমে নানান রকম ফুল গাছ রোপণ করা যায়। তাই মৌসুম অনুযায়ী ফুল গাছ নির্বাচন করতে হবে।

গ্রীষ্মকাল
এ সময়ে গন্ধরাজ, রজনীগন্ধা, সূর্যমুখী, জিনিয়া, পিটুনিয়া, মোরগঝুঁটি, দোপাটি, মণিকুন্তলা, বিচিত্রা ইত্যাদি চাষ করা যায়।
বর্ষাকাল
বর্ষায় ভালো হবে হাইড্রেঞ্জিয়া, বেলি, জুঁই, চাঁপা, পত্রলেখা, তুষারমোতি, দোপাটি, জিনিয়া, সূর্যমুখী (ছোট), স্থলপদ্ম, মালতীলতা প্রভৃতি।
শীতকাল
শীতে গাঁদা, গোলাপ, ন্যাস্টারশিয়াম, প্যানজি, পিটুনিয়া, ভারবেনা, ক্যামেলিয়া, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, কারনেশন, স্যালভিয়া, গোলাপ, জারবেরা, এজালিয়া ইত্যাদি।

সারাবছর
এর বাইরে সারাবছর কাঞ্চন (সাদা), জবা, কামিনী, করবী, অলকানন্দা, জয়তী, হাজারপুটিয়া, নয়নতারা, সন্ধ্যামালতী বা সন্ধ্যামণি ইত্যাদি।
দীর্ঘস্থায়ী ফুল গাছ
বেলি, জুঁই, বাগানবিলাস, গোলাপ, জবা, করবী, গন্ধরাজ, কাঞ্চন, কুন্দ, চাঁপা, মুসেন্ডা, কামিনী, অ্যালামন্ডা, স্থলপদ্ম, পোর্টল্যান্ডিয়া, ব্রানফেলসিয়া, ক্যামেলিয়া, টগর, শিউলি, পয়েনসেটিয়া প্রভৃতি দীর্ঘস্থায়ী হিসেবে রোপণ করা যায়।

রোপণের নিয়ম
প্রথমে গাছের সঙ্গে মানানসই আকারের টব সংগ্রহ করতে হবে। ছোট গাছের জন্য বড় টব হলে ক্ষতি নেই কিন্তু বড় গাছের জন্য ছোট টব উপযুক্ত নয়। প্রতিটি টবের জন্য দোআঁশ মাটির সঙ্গে তিন ভাগের একভাগ জৈব সার বা পচা গোবর মিশিয়ে মাটি তৈরি করতে হবে। এর সঙ্গে একমুঠো হাড়ের গুঁড়ো, দুই চা-চামচ চুন, দুমুঠো ছাই মেশালে ভালো হয়। এতে টবের মাটি দীর্ঘদিন উর্বর থাকে।
পরিচর্যা
মৌসুমি ফুলের ক্ষেত্রে মাসখানেক বয়সের ফুলের চারা টবে রোপণ করা উচিত। অন্য চারার বেলায় অল্পবয়সী ভালো ও তরতাজা, গাট্টাগোট্টা দেখে চারা বা কলম লাগানো ভালো। চারা লাগানোর পর আস্তে আস্তে চাপ দিয়ে গোড়ার মাটি শক্ত করে দিতে হবে। লাগানোর পর গোড়ায় পানি দিতে হবে। গাছকে খাড়া রাখার জন্য অবলম্বনের প্রয়োজন হয়। গাছের চারা অবস্থা থেকেই এ ব্যবস্থা করতে হয়। এ কাজে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহার করা যেতে পারে।
সদ্য লাগানো ফুলের চারা কয়েক দিন ছায়ায় রেখে সহনশীল করে নিতে হয়। এ অবস্থায় সকালে ও বিকেলে রোদ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। টবে গাছের গোড়ার মাটি একেবারে গুঁড়ো না করে চাকা চাকা করে খুঁচে দেওয়া ভালো। এ ক্ষেত্রে মাটি খোঁচানোর গভীরতা হবে ৩-১০ সেন্টিমিটার বা ১ থেকে ৪ ইঞ্চি। কাজটি প্রতি ১০ দিনে একবার করে করতে হবে।
সার
কুঁড়ি আসার লক্ষণ প্রকাশ পেলে ৫০ গ্রাম টিএসপি (কালো সার), ১০০ গ্রাম ইউরিয়া (সাদা সার) ও ২৫ গ্রাম এমওপি (লাল সার) একসঙ্গে মিশিয়ে প্রতি গাছে এক চা-চামচ করে ১০ দিন অন্তর দিতে হবে। তবে এক মৌসুমে এই রাসায়নিক সার তিনবারের বেশি দেওয়া যাবে না। রাসায়নিক সার ব্যবহারের সময় খেয়াল রাখতে হবে। যেন সার কোনোভাবেই শেকড়ের ওপর না পড়ে। ট্যাবলেট সার দিলে এসব সার দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Error Problem Solved and footer edited { Trust Soft BD }
More News Of This Category
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - রাইট কৃষি-২০২১-২০২৪
Web Design By Best Web BD