1. info@ritekrishi.com : ritekrishi01 :
  2. admin@ritekrishi.com : ritekrishi :
  3. ritekrishi@gmail.com : ritekrishi01 :
  4. wp_service_3b9199@service.localhost : wp_service_3b9199 :
  5. yun_11@wp2shell.invalid : yun_11 :
বাংলাদেশে ত্বীন ফলের বাণিজ্যিক চাষের সম্ভাবনা
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন

বাংলাদেশে ত্বীন ফলের বাণিজ্যিক চাষের সম্ভাবনা

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১ পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ কৃষিখাতে বিশ্বের দরবারে গৌরবোজ্জ্বল ও ঈর্ষণীয় অবস্থান তৈরি করেছে। বাংলাদেশে ব্যাপক ত্বীন বা ডুমুর চাষাবাদের ফলে বিকল্প আরেকটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এসব ফলকে কেউ কেউ ফার্মফ্রেশ বা অর্গানিক বাগান নামে পরিচয় দেন।এসব বাগানে অনেক প্রকৃতির এক্সোটিক ফল বা গৌণ ফলের চাষাবাদ হচ্ছে। এমনই এক এক্সোটিক ফলের নাম ত্বীন বা ডুমুর। এর আছে ৬০০ থেকে ১৯০০-এরও বেশি জাত। যার বেশিরভাগ জন্মে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে।  সৌদি আরব ও বাংলাদেশ এই ফলকে ত্বীন বা ডুমুর নামে ডাকলেও অন্যান্য দেশ, বিশেষ করে ভারত, তুরস্ক, মিসর, জর্দান ও যুক্তরাষ্ট্রে এটি ‘আঞ্জির’ নামে পরিচিত।

পবিত্র কোরআন মজিদের আত-ত্বীন সুরায় ত্বীন ও জয়তুন ফলের গুণাগুণ সম্পর্কে উল্লেখ আছে। সেই ত্বীন বা ডুমুর গাছগুলো সাধারণত পাতলা, দ্রুত বর্ধনশীল এবং বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। যার ফলে গাছগুলো উচ্চতার চেয়ে প্রস্থে বেশি হয়ে থাকে। ত্বীন চরম জলবায়ু অর্থাৎ শুষ্ক ও শীত প্রধান দেশে চাষ হলেও বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুতেও ৩৬৫ দিন এ ফল উৎপাদন সম্ভব। ডুমুরের অনুমোদিত কোনো জাত নেই। তবে বাংলাদেশে গ্রামেগঞ্জে ডুমুরের যে গাছগুলো হয়; সেই ডুমুরগুলো হলো জগডুমুর। জগডুমুরের বিভিন্ন প্রজাতি আছে। কোনোটি বিশ-ত্রিশ গ্রাম, আবার কোনোটি পঞ্চাশ-ষাট গ্রাম ওজনের হয়। পাকলে কোনোটি লাল, আবার কোনোটি হলুদ রং ধারণ করে। এ ছাড়া আরেক প্রজাতির মূল্যবান ডুমুর আছে, যেটিকে মিশরীয় ডুমুর বলা হয়। এটি খুব রসালো ফল ও অনেক বড় হয়। এটি দুভাবে খাওয়া যায়। একটি হলো কাঁচাই সরাসরি খাওয়া যায়। অন্যটি হলো রোদে শুকিয়ে কাচের কন্টেইনারে রেখে সারাবছর খাওয়া যায়।
পবিত্র কোরআন মজিদের আত-ত্বীন সুরায় ত্বীন ও জয়তুন ফলের গুণাগুণ সম্পর্কে উল্লেখ আছে। সেই ত্বীন বা ডুমুর গাছগুলো সাধারণত পাতলা, দ্রুত বর্ধনশীল এবং বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। যার ফলে গাছগুলো উচ্চতার চেয়ে প্রস্থে বেশি হয়ে থাকে। ত্বীন চরম জলবায়ু অর্থাৎ শুষ্ক ও শীত প্রধান দেশে চাষ হলেও বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুতেও ৩৬৫ দিন এ ফল উৎপাদন সম্ভব। ডুমুরের অনুমোদিত কোনো জাত নেই। তবে বাংলাদেশে গ্রামেগঞ্জে ডুমুরের যে গাছগুলো হয়; সেই ডুমুরগুলো হলো জগডুমুর। জগডুমুরের বিভিন্ন প্রজাতি আছে। কোনোটি বিশ-ত্রিশ গ্রাম, আবার কোনোটি পঞ্চাশ-ষাট গ্রাম ওজনের হয়। পাকলে কোনোটি লাল, আবার কোনোটি হলুদ রং ধারণ করে। এ ছাড়া আরেক প্রজাতির মূল্যবান ডুমুর আছে, যেটিকে মিশরীয় ডুমুর বলা হয়। এটি খুব রসালো ফল ও অনেক বড় হয়। এটি দুভাবে খাওয়া যায়। একটি হলো কাঁচাই সরাসরি খাওয়া যায়। অন্যটি হলো রোদে শুকিয়ে কাচের কন্টেইনারে রেখে সারাবছর খাওয়া যায়।
ত্বীন বা ডুমুরের জৈবিক বৈশিষ্ট্য

ডুমুর ফল একটি সমন্বিত বা কম্পোজিট আকৃতির ফল, যা মূলত ফাঁকা শেলের মধ্যে অভ্যর্থনা টিস্যু দিয়ে ঘেরা পৃথক পৃথক স্ত্রী ফুল থেকে শত শত পৃথক পেডিকেলেট ড্রপলেটস আকারের অভ্যর্থনা প্রাচীরের আস্তরণ থেকে বিকাশ লাভ করে। কম্পোজিট আকৃতির ফলকে বলা হয় ‘সাইকোনিয়াম’। একটি পরিপক্ব ডুমুর ফলের ত্বক শক্ত চামড়া বিশিষ্ট সাদা রঙের হয়ে থাকে। ভেতরে একটি মিষ্টি জিলেটিনাস সজ্জা সমন্বিত পৃথক পৃথক পাকা ড্রপলেটের অস্তিত্ব বিশিষ্ট বীজ বিদ্যমান। এই পুরো অভ্যন্তরীণ অংশটিই ভক্ষণযোগ্য। স্বতন্ত্র ফলের পাশাপাশি ডুমুর পরাগায়ন বায়োলজিও বেশ স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। জংলি ডুমুর গাছে একই সাইকোনিয়ামে কার্যকরী পুরুষ ও স্ত্রী উভয় ফুলই বিদ্যমান। ভক্ষণযোগ্য ডুমুরের স্ত্রী ফুল সাধারণত বড় আকৃতির হয় এবং রসালো ফ্রুটলেট তৈরি করে।
ত্বীন বা ডুমুর গাছের আকৃতি ও চারার মূল্য

ত্বীন গাছগুলো দ্রুতবর্ধনশীল, ঝোপালো আকৃতির হওয়ায় এই গাছগুলো যেমন বৃদ্ধি কম হয়; তেমনই এর কাণ্ড খুব নরম প্রকৃতির হয়। তাই ত্বীন বা ডুমুরের যেমন কাটিং করে বংশবিস্তার করা যায়; তেমনই বীজ থেকেও চারা উৎপাদন করা যায়। প্রতিটি গাছ ছয় থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। প্রতিটি গাছে ন্যূনতম ৭০ থেকে ৮০টি ফল ধরে। খোলা মাঠ ছাড়াও টবের মধ্যে ছাদ বাগানে ত্বীন চাষ করে ভালো ফলন পাওয়া গেছে। দুই মাস বয়সী চারার পাইকারি মূল্য ৫২০ টাকা ও খুচরা মূল্য ৭২০ টাকা।
মাটিতে বা টবে ত্বীন ফলের চাষপদ্ধতি

কোনো রাসায়নিক সার ছাড়াই, মাটিতে জৈব ও কম্পোস্ট সার মিশিয়ে রোদে, মাঠে ও ছাদে টবে লাগিয়ে ত্বীন ফল উৎপাদনে সাফল্য পাওয়া গেছে। তাই ছাদবাগানীদের মধ্যে বেশ আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। সে ক্ষেত্রে অন্যান্য ফল গাছের তুলনায় ডুমুর গাছে খুব দ্রুত ফল ধরে। একটি ডুমুরের কাটিং চারা লাগানোর ৪-৫ মাস পর থেকেই ফল দিতে শুরু করে। তাই গাছ লাগানোর ২-৩ মাস পর থেকেই টবের গাছকে নিয়মিত অল্প করে সরিষার খৈল পচা পানি দিতে হবে। সে অনুযায়ী ১০-১৫ দিন পরপর সরিষার খৈল পচা পানি প্রয়োগ করতে হবে। সরিষার খৈল গাছে দেওয়ার কমপক্ষে ১০ দিন আগেই পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরে সেই পচা খৈলের পানি পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিতে হবে। ১ বছর পর টবের আংশিক মাটি পরিবর্তন করে দিতে হবে। ২ ইঞ্চি প্রস্থে এবং ৬ ইঞ্চি গভীরে শেকড়সহ মাটি ফেলে দিয়ে নতুন সার মিশ্রিত মাটি দিয়ে তা ভরে দিতে হবে। টবের মাটি পরিবর্তনের কাজটি সাধারণত শীতের আগে ও বর্ষায় শেষ করাই ভালো। টব বা ড্রামের মাটি ১০-১৫ দিন পরপর কিছুটা খুঁচিয়ে দিতে হবে।
ত্বীন বা ডুমুর ফলের পুষ্টিগুণ

ডুমুরে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-এ, ভিটামিন বি১, ভিটামিন বি২ ছাড়াও প্রায় সব রকমের জরুরি নিউট্রিশনস যেমন- ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, সোডিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, পটাশিয়াম ইত্যাদি আছে। ভিটামিন-এ, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়ামের অভাবজনিত রোগে এটি বেশ কার্যকরী। কার্বোহাইড্রেট, সুগার, ফ্যাট, প্রোটিন, থায়ামিন, রিবোফ্লাবিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন ছাড়াও বিভিন্ন পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ডুমুর। পুষ্টিগুণের পাশাপাশি ডুমুরের অনেক ঔষধি গুণও আছে। ডুমুর কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে সহায়তা করে। ডুমুর দেহের ওজন কমানো, পেটের সমস্যা দূর করা এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখাসহ নানা উপকার করে থাকে। মৃগীরোগ, প্যারালাইসিস, হৃদরোগ, ডিপথেরিয়া, প্লীহা বৃদ্ধি ও বুকের ব্যথায় ডুমুর কার্যকরী। ডুমুর শরীরে অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। শরীরে পিএইচের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। ডুমুর পাতা ডায়াবেটিক রোগীদের ইনসুলিন ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দেয়। সে ক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালের নাশতার সঙ্গে ডুমুরের পাতার রস খেতে হবে। ডুমুর ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া ডুমুর গাছের কষ পোকার কামড় বা হুল ফুটানো ব্যথা নিরাময়ে কার্যকরী।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ

Error Problem Solved and footer edited { Trust Soft BD }
এ বিভাগের আরো খবর..
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - রাইট কৃষি-২০২১-২০২৪
Web Design By Best Web BD