গাছ পরিবেশের অকৃত্রিম বন্ধু। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অপরিহার্য উপাদান। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় গাছ অনস্বীকার্য। বৃক্ষরাজি মানবকুলের পরম সাথী। একে অপরের পরিপূরক। গাছ হচ্ছে বায়ুফিল্টার, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কার্বন-ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানোর
শিমের রাজ্যে হিসেবে পরিচিত পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা। এখানে প্রায় ৩০ বছর ধরে বাণিজ্যিকভাবে শিম চাষ হয়। শিম সাধারণত শীতকালীন সবজি হলেও উপজেলার কৃষকেরা এক যুগ ধরে আগাম শিম চাষ করছেন।
মেহেরপুরে পতিত জমিতে বস্তা পদ্ধতিতে আদা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন অনেক কৃষক। সম্প্রতি জেলায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বস্তায় আদা চাষ। এ পদ্ধতিতে কম জায়গা, কম খরচ এবং সহজে পরিচর্যার মাধ্যমে
বাংলাদেশের কৃষিখাতে ‘সোনালি আঁশ’ পাটের গুরুত্ব ঐতিহাসিকভাবে গভীর। তবে পাট চাষে অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে মানসম্পন্ন বীজের সংকট। বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৬-৭ হাজার মেট্রিক টন পাট বীজের দরকার
দিনাজপুরে প্রতি বছর কলার আবাদ বাড়ছে। ফলনও হচ্ছে বাম্পার। ভালো ফলনে কৃষক যেমন খুশি; তেমনই ভালো দাম পাওয়ার কারণে তাদের মুখে হাসি ফুটেছে। পাশাপাশি কলা বিক্রিতে কৃষকদের হয়রানিও কমেছে। কলা
প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় প্রতিটি প্রাণীর আছে নিজস্ব ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। সেই তালিকায় শকুন অবিচ্ছেদ্য নাম। যদিও অনেকেই শকুনকে অপছন্দের চোখে দেখেন। কিন্তু বাস্তবে পাখিটি পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখার কাজে অনন্য অবদান
বান্দরবানে প্রাকৃতিক উপায়ে মৌচাষে আগ্রহ বাড়ছে। উৎপাদন ব্যয় ও স্বল্প পরিশ্রমে এই চাষে সফলতা পাওয়ায় এবং বাড়তি আয়ের আশায় জেলার অনেকেই এখন ঝুঁকছেন প্রাকৃতিক উপায়ে মৌচাষে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,
আট বছর ধরে পড়ে ছিল পরিত্যক্ত বিস্তীর্ণ মাঠ। লাল বেলেমাটির উর্বরতা ছিল না বললেই চলে। কয়েক বছর আগে মাঠটির এক কোনায় গড়েন একটি জৈব সারের কারখানা। পরে এর পাশেই ১৫
ফরিদপুরে নতুন জাতের পাট ‘সবুজ সোনা’ চাষ করে বেশ লাভবান হয়েছেন চাষিরা। বেশি উচ্চতা, কম সময় ও জলসহিষ্ণু হওয়ায় এ জাতের পাট চাষ লাভজনক। কৃষকেরা এ পাট চাষ করে ভালো
বিস্তীর্ণ বিলের বুক চিরে চলে গেছে ইটের সড়ক। বিল ভাগ হয়ে গেছে দুই ভাগে। একটির নাম খয়রা-নাওঘাটা বিল, অন্যটি দক্ষিণের বিল। জলাবদ্ধতার কারণে বিলের বেশির ভাগ জমিতে এবারও আমন ধানের