দূর থেকে দেখলে মনে হবে সবুজ পাতার ছায়ায় ঝুলছে রঙিন ফলের মালা। কাছে গেলে বোঝা যায়, এগুলো অসময়ের তরমুজ। নিচে মিঠে ও লোনা পানির মিশ্র ঘেরে মাছের খেলা। ওপরে মাচায়
সৌদি আরবে খেজুরবাগানে কাজ করতে গিয়ে কিছু বীজ দেশে আনেন আবদুল মোতালেব নামের এক ব্যক্তি। এরপর নিজের একটি খেজুরবাগান তৈরির কাজ শুরু করেন। হতাশা কাটিয়ে কয়েক বছর পর সফলতার দেখা
শুরু হতে যাচ্ছে ভাদ্র মাস। ঋতুবৈচিত্র্যে আসছে শরৎকাল। চারিদিকে রয়েছে পানিও। এ সময়ে একটু উঁচু স্থানে চাষ করতে পারেন লাউ। এটি শীতকালীন সবজি হলেও এখন সারাবছরই চাষ করা যায়। তবে
পানিতে খাবার দিতেই ভাসছে, ডুব দিচ্ছে নানা রঙের মাছ। লাল, নীল, কমলা, কালো, বাদামি, হলুদ রঙের মাছের ছড়াছড়ি। গোল্ড ফিশ, কমেট, কই কার্ভ, ওরেন্টা গোল্ড, সিল্কি কই, মলি, গাপটি, অ্যাঞ্জেল
নরসিংদীর মাটি যেন নিজ হাতে ফলের ঝাঁপি সাজিয়ে বসে আছে। সুগন্ধি সাগর কলা, রসালো ঘোড়াশালের আনারস আর মুখরোচক লটকন—তিনটি ফল যেন নরসিংদীর রত্ন। একসময় এ ফলের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল দেশজুড়ে।
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলা আনারসের জন্য প্রসিদ্ধ। উপজেলার আনারস স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বিক্রি করা হয়। তবে কয়েক বছর ধরে চাষিরা ন্যায্য দাম না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ। অন্য বছরের
নারিকেল বাংলাদেশের উপকূলীয় ও দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বাগানজাতীয় অর্থকরী ফসল। এ গাছের ফল, পাতা, কাণ্ড ও অন্যান্য অংশ বিভিন্নভাবে ব্যবহারযোগ্য এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। নারিকেল শুধু খাবার ও তেলের উৎস
পরিবেশবান্ধব কেঁচো সার উৎপাদন করে স্বাবলম্বী হয়েছেন মাদারীপুরের রাশিদা বেগম। সারের সাথে উৎপাদিত কেঁচোও বিক্রি করছেন তিনি। তাকে দেখে মাদারীপুরের অনেক নারী উৎসাহ পাচ্ছেন। রাসায়নিক সারের চেয়ে এই জৈব সার
দেশি খেজুর গাছের রসের জনপ্রিয়তার শেষ নেই। খেজুর গুড়ের জন্য বিখ্যাত জনপদ ঝিনাইদহ। তবে দেশে খেজুর রসের জনপ্রিয়তা থাকলেও দেশি খেজুরের কদর শূন্যের কোটায়। দেশি খেজুর পাকার পরে তা অবহেলায়
দুই একর পাহাড়ি জমিতে সারি সারি খেজুরগাছ। একেকটি গাছের উচ্চতা ১০ থেকে ২০ ফুট। অধিকাংশ গাছে ঝুলছে সবুজ ও লাল রঙের খেজুর। এসব খেজুর ‘বারহি’ ও ‘আম্বার’ জাতের। এ ধরনের