জেলার পাথরঘাটার স্কুল শিক্ষক তরিকুল ইসলাম মরুভূমির ফল ‘সাম্মাম’ চাষ করে সফল হয়েছেন। এ ফলের জন্য নির্দিষ্ট মৌসুম ছাড়াও অসময়ের সাম্মাম উৎপাদনেরও সফলতা পেয়েছেন। সুস্বাদু ও মিষ্টি জাতের ফল সাম্মাম
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের পুকুরের পাড়ের ২৫০ হেক্টর জমিতে গ্রীস্ম ও বর্ষকালীন সবজির আবাদ হয়েছে। উৎপাদিত সবজি বিক্রি করে স্থানীয় কৃষকরা লাভবান হয়েছেন। উৎপাদিত এসব সবজির মধ্যে রয়েছে ঢ্যাড়শ,
চলতি মৌসুমে জেলায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। দাম ভাল পাওয়ায় লাভবান হচ্ছেন পাট চাষিরা। তবে সোনালি আঁশ ও রুপালি কাঠি বিক্রি করে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। গ্রামাঞ্চলে ইতিমধ্যে পাট কাটাসহ
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরা ইউনিয়নের চরগেবরা গ্রামের মোঃ আয়ুব আলী শেখ বিদেশী সাম্মামফল চাষ করে বাজিমাত করেছেন। সাম্মাম বিদেশী ফল। রসালো খেতে সুস্বাদু। কম মিষ্টির এ ফল পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। সব
লাউ চাষ করে সাফল্য দেখিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যুবক মামুন। মালচিং পদ্ধতিতে চাষের ভিডিও দেখে তিনি লাউ চাষ করছেন। দেশীয় পদ্ধতিতে কোনো প্রকার কীটনাশক ছাড়া চাষ করে মামুন ইতিমধ্যে এলাকায় একজন আদর্শ
জেলায় ৫০ হাজার তাল গাছের বীজ রোপণ করা হচ্ছে। বন বিভাগের উদ্যোগে উপকূলীয় এলাকায় বর্জপাতসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকবেলায় ইতোমধ্যে বীজ রোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বন বিভাগের জেলার ৭টি রেঞ্জ
জেলার খানসামা উপজেলার পল্লীতে বিরল প্রজাতির আলু চাষে সফল করেছেন দুইজন কৃষক। ‘গাছ আলু’ নামের এই আলুগুলো এক একটির ওজন হচ্ছে ৭ থেকে ৮ কেজি। খানসামা উপজেলায় কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন
জেলায় দীর্ঘ দিন পর কাঙ্খিত বৃষ্টি হওয়ায় খাল-বিল ডোবাতে পাট জাগ দেয়া ও আশঁ ছাড়াতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। অনাবৃষ্টিতে পাট গাছ পরিপূর্ণ হওয়া র পর ও কৃষকরা পাট
জেলায় বেগুনগাছে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে অসময়ের গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ করে সফল হয়েছেন দাগনভূঞা পৌর এলাকার আলাইয়ারপুর গ্রামের কৃষক মো. ইসমাইল হোসেনসহ উপজেলায় একাধিক কৃষক। উপজেলা কৃষি বিভাগের সহায়তায় পরীক্ষামূলকভাবে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে
জেলার কৃষকরা এখন আমন রোপণ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ।এবার আমন মৌসুমে অনা বৃষ্টি সত্বেও লক্ষ্যমাত্র অর্জন হবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মতলুবুর