কৃষিভিত্তিক এই বাংলাদেশে দিন দিন বাড়ছে জনসংখ্যা । সেই সাথে বাড়ছে খাদ্যের চাহিদা। কৃষি জমির পরিমাণ কিন্তু বাড়ছে না,বরং কমছে। অধিক জনসংখ্যার আবাস ও অন্যান্য চাহিদার যোগান দিতে কৃষি জমিতেও
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বেড়েছে আখ চাষ। উর্বর মাটি ও উপযুক্ত পরিবেশের কারণে কৃষকরা ঝুঁকছেন আখ চাষে। উপজেলার দুর্গাপুর ও জোরারগঞ্জ ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি আখ চাষ হয়েছে। এ ছাড়া খৈইয়াছড়া, ওয়াহেদপুর, হিঙ্গুলী
কুড়িগ্রামের ১৬টি নদ-নদী বেষ্টিত চরাঞ্চলে লাউ চাষ করে সুদিন ফিরেছে চাষিদের। গত কয়েকদিন আগে বৈরী আবহাওয়ার কারণে লাউ চাষিদের মধ্যে ফলন নিয়ে যে শঙ্কা জেগেছিল, এখন তা দূর হয়েছে। এ
ছাগলের খামার করা একটি লাভজনক পেশায় পরিণত হয়েছে। দেশের বিভন্ন স্থানে ছাগলের খামার করে বেকার যুবকরা তাদের কর্মস্থান তৈরি করে নিচ্ছেন। তবে ছাগলের খামার থেকে বেশি লাভবান হতে হলে বেশ
খামারের গাভি অনেক সময় দুগ্ধ জ্বর বা দুধ জ্বরে আক্রান্ত হয়। এতে খামারিরা বেশ ক্ষতির মুখে পড়েন। আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হন। এ সময়ে তা বুঝে উঠতে পারেন না তারা কী
খাদ্যের পুষ্টিগুণ রক্ষায় অন্যতম হাতিয়ার জৈব সার। রাসায়নিক সার ব্যবহারে ফলন বেশি হলেও ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায় জমির গুণাগুণ। বাংলাদেশের জমিতে জৈব সারের উপাদান থাকা উচিত স্থানভেদে তিন থেকে
তালায় রাসায়নিক সারের ব্যবহার ছেড়ে ভার্মি কম্পোস্ট (কেঁচো সার) সারের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকরা। রাসায়নিক সারের ক্ষতিকারক দিক বিবেচনায় কৃষকদের মধ্যে সচেতনতার ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে উপজেলার তৃণমূলে কৃষকরা এখন ব্যাপকভাবে শুরু
সাতক্ষীরার তালায় কৃষকেরা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে রাসায়নিক সারের পরিবর্তে এখন ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন। এতে রাসায়নিক সার ব্যবহারের প্রবণতা যেমন কমছে, তেমনি সাশ্রয় হচ্ছে ফসলের উৎপাদন খরচ। কৃষকদের
মাটি একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এ দেশের অধিকাংশ মানুষের জীবিকা হচ্ছে কৃষি যা এ মৃত্তিকা সম্পদের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু দেশের মৃত্তিকা আজ হুমকির সম্মুখীন। অধিক মাত্রায় রাসায়নিক সার ব্যবহারই
দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা হিলিতে বেশিরভাগ বরজের (পানক্ষেত) পানে ছত্রাকজনিত গোড়া ও পাতা পচা রোগ দেখা দিয়েছে। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে পান মরে যাওয়ায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ওষুধ প্রয়োগেও কাজ হচ্ছে