ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী সারের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। আমদানি কমার পাশাপাশি তিন-চার গুণ বেড়ে গেছে সারের দাম। এ সংকট মোকাবিলায় দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরু শতবর্ষী পুরোনো এক বিকল্প উপায় খুঁজে
শরতের শেষে এসে বৃষ্টি একেবারেই কমে গেছে। অধিকাংশ সময়ই আকাশে রোদ ও মেঘের লুকোচুরি চলছে। কোথাও হঠাৎ হালকা একটু বৃষ্টি ঝরিয়ে যাচ্ছে উড়ে যাওয়া মেঘ। তবে বাড়ছে ভ্যাপসা গরম। আগামী
মাটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য প্রধান উপাদান। একটি মজবুত পদ্ধতিতে মৃত্তিকা গঠন এবং উর্বরতার ব্যবস্থাপনা জৈব চাষের জন্য আবশ্যক। জৈব চাষের আওতায়, মাটির উর্বরতার জন্য উপযুক্ত ফসল চক্র এবং
পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য ডিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাই আমাদের দেশে ডিমের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ কারণে ডিম উৎপাদনের জন্য বর্তমানে পোলট্রি শিল্প বেশ লাভজনক কাজ। মুরগির খামার থেকে
গাজীপুরের কালীগঞ্জে সবুজ মাল্টা চাষে ব্যাপক ফলন হওয়ায় চাষিদের চোখে এখন রঙিন স্বপ্ন। এতে আর্থিক স্বচ্ছলতা ও লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন মাল্টা চাষিরা। সবুজ রঙের এই মাল্টা স্থানীয় বাজারসহ বিক্রি
কোন এলাকার মাটি কেমন, কোন এলাকায় কোন মৌসুমে কোন ধরনের ফসল ভালো হবে, ফসল উৎপাদনে কখন কী সার কতটুকু দিতে হবে—এসব তথ্য ঘরে বসেই পেয়ে যাবেন কৃষক। এলাকাভিত্তিক এমন সব
রাজশাহীর পবা উপজেলায় পলিনেট হাউসে ফসল উৎপাদনে আগ্রহী হচ্ছেন ওই এলাকার কৃষকেরা। পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি উদ্যোগে পবা উপজেলার খড়খড়িতে একটি পলিনেট হাউস নির্মাণ করে দেওয়া হয়। তা দেখেই উদ্বুদ্ধ
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছেন, মিনিকেট নামে কোনো চাল বিক্রি করা যাবে না। চালের মিলে চাল বস্তাজাত করার সময় বস্তার ওপরে জাতের নাম লিখে দিতে হবে। কেউ যদি এর
মেহেরপুরের আমঝুপির ইসলামনগর মাঠে সমন্বিত মালটা বাগান করে সাড়া ফেলেছেন পাঁচ বন্ধু। ইতোমধ্যে সফলতাও পেয়েছেন তারা। স্থানীয়ভাবে বাজার সৃষ্টি হওয়ায় তাদের দেখাদেখি অনেকেই মালটা চাষ শুরু করেছেন। মালটা চাষে আগ্রহী
নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) ভিত্তি আলুবীজ খামারে আউশের ধানবীজও উৎপাদন করা হচ্ছে। চলতি আউশ মৌসুমে ৩৫০ মেট্রিক টন ভিত্তি ধানবীজ উৎপাদনের আশা করছেন বিএডিসির কর্মকর্তারা।