1. info@ritekrishi.com : ritekrishi01 :
  2. admin@ritekrishi.com : ritekrishi :
  3. ritekrishi@gmail.com : ritekrishi01 :
  4. wp_service_3b9199@service.localhost : wp_service_3b9199 :
  5. yun_11@wp2shell.invalid : yun_11 :
পেঁপের চারা রোপণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় কখন
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন

পেঁপের চারা রোপণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় কখন

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬
  • ১৬২ পড়া হয়েছে

পেঁপে অত্যন্ত পুষ্টিকর ও লাভজনক ফসল। যা মাত্র ৮-১০ মাসের মধ্যে ফলন দেওয়া শুরু করে। তবে পেঁপের চারা রোপণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় বসন্তকাল। তবে বর্ষার শুরুতেও (আষাঢ়-শ্রাবণ বা জুন-জুলাই) চারা লাগানো যায়। তাই আসুন জেনে নিই পেঁপে চারা রোপণের নিয়ম-কানুন সম্পর্কে।
চারা তৈরি

পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করলে রোপণের পর চারা দ্রুত বাড়ে। ১৫-১০ সেন্টিমিটার আকারের ব্যাগে সমপরিমাণ বালি, মাটি ও পচা গোবরের মিশ্রণ দিয়ে ব্যাগের তলায় ২-৩টি ছিদ্র করতে হবে। তারপর নতুন সংগৃহীত বীজ হলে ১টি এবং পুরাতন হলে ২-৩টি বীজ বপন করতে হবে। একটি ব্যাগে একাধিক চারা রাখা উচিত নয়। ২০-২৫ দিন বয়সের চারায় ১-২% ইউরিয়া স্প্রে করলে চারা দ্রুত বাড়ে।
মাটি নির্বাচন

পেঁপে চাষের জন্য উঁচু ও মাঝারি জমি ভালো। উপযুক্ত পরিচর্যার মাধ্যমে প্রায় সব ধরনের মাটিতেই পেঁপে চাষ করা যায়।
রোপণের সময়

পেঁপের চারা রোপণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো বসন্তকাল বা প্রাক-বর্ষা (ফাল্গুন-চৈত্র বা ফেব্রুয়ারি-এপ্রিল)। এ ছাড়া বর্ষার শুরুতে আষাঢ়-শ্রাবণ বা জুন-জুলাই মাসেও চারা রোপণ করা যায়। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে গোড়ায় যেন পানি না জমে; সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
রোপণ পদ্ধতি

প্রতি সারিতে ২ মিটার দূরত্বে চারা রোপণ করলে ১ হেক্টর জমিতে আড়াই হাজার গাছের জন্য সাড়ে ৭ হাজার চারা দরকার। নতুন বীজ হলে ১৪০-১৬০ গ্রাম বীজ দিয়ে প্রয়োজনীয় চারা উৎপাদন করা যায়। দেড় থেকে ২ মাস বয়সের চারা রোপণ করা হয়। ২ মিটার দূরে দূরে ৬০-৬০-৬০ সেন্টিমিটার আকারের গর্ত করে রোপণের ১৫ দিন আগে গর্তের মাটিতে সার মেশাতে হবে। পানি নিষ্কাশনের জন্য দুই সারির মাঝখানে ৫০ সেন্টিমিটার নালা রাখতে হবে।
সার প্রয়োগ

প্রতি পেঁপে গাছে ইউরিয়া ৪৫০-৫৫০, টিএসপি ৪৫০-৫৫০, এমপি ৪৫০-৫৫০, জিপসাম ২৪৫-২৫০, বোরাক্স ২০-৩০, জিংক সালফেট ১৫-২০ এবং জৈব সার ১২-১৬ গ্রাম সার ব্যবহার করতে হবে।
গাছের পরিচর্যা

প্রতি গর্তে ৩টি চারা রোপণ করা যায়। ফুল এলে ১টি স্ত্রী গাছ রেখে বাকি গাছ তুলে ফেলতে হবে। পরাগায়ণের জন্য বাগানে ১০% পুরুষ গাছ রাখা হয়। ফুল থেকে ফল ধরা নিশ্চিত মনে হলে একটি বোঁটায় একটি ফল রেখে বাকিগুলো ছিড়ে ফেলতে হবে। গাছ যাতে ঝড়ে না ভাঙে তার জন্য বাঁশের খুঁটি দিয়ে গাছ বেঁধে দিতে হবে। দুই সারির মাঝখানের নালার মাধ্যমে পানি নিকাশ নিশ্চিত করতে হবে। নিয়ন্ত্রিত পরাগায়ণের মাধ্যমে জাতের বিশুদ্ধতা বজায় রাখা যায়।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ

Error Problem Solved and footer edited { Trust Soft BD }
এ বিভাগের আরো খবর..
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত - রাইট কৃষি-২০২১-২০২৪
Web Design By Best Web BD