কলা চাষ বাংলাদেশের কৃষিখাতে একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও লাভজনক খাত। কলা একটি দ্রুত ফলদানকারী ফসল; রোপণের ৯-১২ মাসের মধ্যে ফল সংগ্রহ করা যায়। এক হেক্টর জমিতে প্রায় ২৫-৩০ টন কলা
তাবলিগে গিয়ে আমের বাগান দেখেন পটুয়াখালীর কুয়াকাটার ইসাহাক মুন্সি। তখনই শখ জাগে তার। তাবলিগ থেকে ফিরে পরের বছর বাড়ির আঙিনায় আম চাষ করেন তিনি। এতেই রীতিমতো বাজিমাত করেছেন এই কৃষক।
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলসহ অনেক জায়গায় লবণাক্ত জমির পরিমাণ বেড়েছে। সাধারণ ফসল এসব জমিতে ভালো ফলন দিতে পারে না। তাই লবণ সহনশীল ফসল চাষের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। এর মধ্যে বাদাম,
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পাহাড়ে চাষ হচ্ছে বিদেশি পিচফল। উত্তর চট্টগ্রামের প্রথমবারের মতো এ ফলের আবাদ হয়েছে। গাছ থেকে ফল তোলা শুরু করেছেন তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা মো. ওমর শরীফ। তার বাগানে দেশি
টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় পলিনেট হাউজে বিভিন্ন সবজির আবাদ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকেরা। বিশেষ করে টমেটোর আবাদ বেশ জনপ্রিয়। জেলার সখীপুর উপজেলার নামদারপুর গ্রামের গৃহিণী রুমা আক্তার পলিনেট হাউজে টমেটোর আবাদ
কম খরচ, কম পরিশ্রমে বেশি ফলন এবং বাজারদর ভালো থাকায় বাদাম চাষে আগ্রহ বাড়ছে ভৈরবের কৃষকদের। ফলে দিন দিন বেড়েই চলেছে বাদামের চাষ। এখানকার উৎপাদিত বাদাম উন্নতমানের হওয়ায় দেশব্যাপী ব্যাপক
থাইল্যান্ডের বারোমাসি কাঁঠালের বাগান করে সাড়া ফেলেছেন যশোরের মণিরামপুর উপজেলার হাবিবুর রহমান খান। ছোট ছোট গাছে সারি সারি কাঁঠাল যেন নতুন সম্ভাবনার গল্প বলছে। আঠাবিহীন সুস্বাদু এই কাঁঠালের ফলন আসায়
বিদেশি ফল স্ট্রবেরি। এখন চাষ হচ্ছে কুমিল্লার বুড়িচংয়ে। সন্তানের মুখে এই ফল তুলে দিতে হনুফা নামে এক মা এমন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। পরীক্ষামূলক এই চাষাবাদে তিনি সফলও হয়েছেন। পরিবারের চাহিদা
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের চৌড়াপাড়া মোড় এলাকার মো. আব্দুল করিম ফকিরের ছেলে মো. আজিজুল ফকির (৩৫)। তিনি ইউটিউবে ভিডিও দেখে উৎসাহী হয়ে কচু-লতি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। বিভিন্ন ধরনের
কয়েক বছর আগেও আমের ঘ্রাণ পাওয়া যেত শুধু মৌসুমে। বর্তমানে সারাবছর সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিক্রি হচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম। এসব আম ব্যতিক্রমী উদ্যোগে চাষ করছেন চাষিরা। এমন একজন সফল উদ্যোক্তা জেলার