কর্ণফুলী, হালদা, সাঙ্গু, ইছাখালী, চাঁনখালী, মুরারি, ডলু বিধৌত চট্টগ্রাম বরাবরই কৃষির উর্বর জনপদ। তবে বর্তমানে বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি ও অপেক্ষাকৃত লাভবান হওয়ায় কয়েক বছর ধরে আগাম সবজি চাষের পরিধি বাড়ছে।
সাধারণত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই আগাম জাতের মুড়িকাটা পেঁয়াজ রোপণ করেন পাবনার চাষিরা। মৌসুমি আবাদ শুরু হওয়ার আগেই এ পেঁয়াজ বাজারে আসায় সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এবার
কুড়িগ্রামে চুইঝাল চাষ করে বাড়তি আয় করছেন কৃষকেরা। বাড়ির উঠানে, পরিত্যক্ত জমিতে আম গাছ, সুপারি গাছে পরজীবী লতা জাতীয় এ গাছ লাগিয়ে বছরে ৩০-৪০ হাজার টাকা আয় করছেন তারা। সার
মাল্টা চাষে রাবি শিক্ষার্থীর বাজিমাত ফলনের দ্বিতীয় বছরেই ১০ লাখ টাকা বিক্রির সম্ভাবনা জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় নিরাপদ ও পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ বারি মাল্টা-১ চাষে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ফাহিম ‘ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতাম
এটি পাতা পোড়া বা ঝলসানো রোগ নামে পরিচিত। পাতা পোড়া রোগের ব্যাকটেরিয়া জীবাণু (ব্যাকটেরিয়াল ব্লাইট) আক্রান্ত- গাছ বা তার পরিত্যক্ত গোড়া, কুটা ও বীজ এবং আগাছার মধ্যেও থাকতে পারে। শিশির,
শিক্ষকতা পেশা ছেড়েও সফল কৃষকের খ্যাতি পেয়েছেন টাঙ্গাইলের মো. ছানোয়ার হোসেন (৫০)। কলা, আনারস, ভুট্টা, পেঁপে, ড্রাগন ফল ও পেয়ারাসহ বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজির পর এবার কফি চাষেও সফল হয়েছেন তিনি।
ধানবীজ উৎপাদনের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বিলুপ্তপ্রায় স্থানীয় জাতের ধানবীজ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার আবু হানিফা। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় আবু হানিফার বাবা মারা যান। অভাবের সংসারের ভার
অভিনব ও আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করলে দ্রুত সফল হওয়া যায়। দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে কৃষকেরা পেঁপে চাষ করেন। বাজারে সব সময় পেঁপের চাহিদা থাকে। কারণ অনেক রোগের ক্ষেত্রে পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ
শহরে বা গ্রামে-গঞ্জে নানা কাজে ব্যবহৃত হয় বাঁশ। তবে এই বাঁশ রীতিমতো অবাক করে দিয়েছে এলাকার মানুষকে। যার নাম ‘লাকি ব্যাম্বু’ বা ‘ভাগ্যবান বাঁশ’। কোনো কোনো দেশে একে ফ্রেন্ডশিপ বাঁশ,
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বাঁশ শিল্পের ওপর নির্ভরশীল কয়েক হাজার পরিবার। বাঁশ দিয়ে বিভিন্ন পণ্য তৈরি করে তা বাজারে বিক্রি করে তাদের সংসার চলছে। এর মধ্যে আছে ঝুড়ি, খালই, খাঁচাসহ বিভিন্ন ধরনের